১. বাচ্চা পর্যায় (০-৮ সপ্তাহ):**
- **খাদ্যের ধরন:** স্টার্টার ফিড (প্রোটিন ২০-২২%)।
- **পরিমাণ:**
- ১ম সপ্তাহ: দিনে ১০-১৫ গ্রাম/বাচ্চা।
- ২য় সপ্তাহ: দিনে ২০-২৫ গ্রাম/বাচ্চা।
- ৩-৮ সপ্তাহ: দিনে ৩০-৪৫ গ্রাম/বাচ্চা।
- **খাওয়ানোর পদ্ধতি:** বাচ্চাদের প্রথম ৩ দিন ফিড ট্রেতে বা নরম কাগজের উপর ছড়িয়ে দিন। পরে নিয়মিত ফিডার ব্যবহার করুন।
**২. বাড়ন্ত পর্যায় (৮-২০ সপ্তাহ):**
- **খাদ্যের ধরন:** গ্রোয়ার ফিড (প্রোটিন ১৬-১৮%)।
- **পরিমাণ:** দিনে ৫০-৭০ গ্রাম/মুরগি।
- **মনে রাখবেন:** এই সময়ে মুরগির ওজন বাড়ে, কিন্তু অতিরিক্ত খাদ্য দেওয়া এড়িয়ে চলুন যাতে মোটা না হয়ে যায়।
**৩. ডিম পাড়া পর্যায় (২০ সপ্তাহ পর থেকে):**
- **খাদ্যের ধরন:** লেয়ার ফিড (প্রোটিন ১৭-১৯%, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ)।
- **পরিমাণ:** দিনে ৮০-১২০ গ্রাম/মুরগি (ডিম উৎপাদনের হার অনুযায়ী)।
- **অতিরিক্ত সতর্কতা:** ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে oyster shell বা grit দেওয়া যেতে পারে।
**সাধারণ টিপস:**
- **পরিষ্কার পানি:** সব সময় তাজা ও পরিষ্কার পানি দেওয়া আবশ্যক।
- **খাদ্যের গুণগত মান:** ফাংগাসমুক্ত ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করুন।
- **অতিরিক্ত খাদ্য:* সবুজ শাকসবজি, ভাঙা ধান, শস্য ইত্যাদি পরিমিতভাবে দেওয়া যেতে পারে।
ফাওমি মুরগি সাধারণভাবে কম খাদ্যে বেঁচে থাকতে পারে, কিন্তু ভালো উৎপাদনের জন্য সঠিক পুষ্টি প্রদান গুরুত্বপূর্ণ। খামারের অবস্থান, আবহাওয়া এবং মুরগির স্বাস্থ্য অনুযায়ী খাদ্যের পরিমাণ সামান্য পরিবর্তন হতে পার।
বিভিন্ন বয়সের ফাউমি মুরগীর বাচ্চা নিতে যোগাযোগ করুন- 01771017575
কালুখালী, রাজবাড়ী।
Comments
Post a Comment